এবার ধূসর ডিম পেড়ে আলোচনায় আরেক পাতিহাঁস

ভোলার চরফ্যাশনে একটি দেশি পাতিহাঁস অস্বাভাবিক কালো ডিম পেড়ে ভাইরাল হওয়ার পর এবার অদ্ভুত ধূসর রঙয়ের ডিম পেড়ে আলোচনায় একই উপজেলার আরেক পাতিহাঁস। এ নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে পুরো এলাকায়। এটি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন  প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তারা।

চরফ্যাশন পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আকতারুল আলম সামু জানান, গত দুদিন ধরে আমাদের বাড়ির পালিত একটি হাঁস ধূসর রঙয়ের ডিম পাড়ছে। আগে এমনটি কখনও হয়নি। বিষয়টি প্রাণিসম্পদ অফিসকে জানানো হয়েছে।

হাঁসের মালিক জুলেখা আক্তার বলেন, আমি তিনটি হাঁস পালন করি। একটি কখনও ধুসর আবার কখনও সাদা রঙয়ের ডিম পাড়ে। শুক্রবার থেকে শুধু ধুসর রঙয়ের ডিম পাড়ছে।

চরফ্যাশন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর কৃষ্ণ দাস বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সত্যতা পেয়েছি। এ ডিমগুলো ধূসর বর্ণের। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার চরফ্যাশনের জিন্নাগড় ইউনিয়নের দাসকান্দি এলাকায় সৌদি প্রবাসী আবদুল মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগমের একটি পালিত পাতিহাঁস পর পর দুদিন কালো রঙয়ের ডিম পাড়ে। এনিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল বলেন, বিষয়টি বিস্ময়কর। এ নিয়ে দুটি ঘটনা ঘটলো। আমরা প্রাথমিকভাবে মনে করছি অন্য কোনও জাতের সঙ্গে এ হাসটির ক্রস হয়েছে। আমরা স্যাম্পল কালেকশন করে পরীক্ষাগারে পাঠিয়ে এর কারণ উদঘাটনের চেষ্টা করবো।

তিনি আরও জানান, ভারতীয় ব্রিডের কাদারনাথ কালো মাসি জাতের মুরগি রয়েছে যেগুলো কালো রঙয়ের ডিম পাড়ে। এগুলোর মাংসও কালো। পাতি হাসটির জরায়ু বা শারীরিক কোনও সমস্যার কারণে ডিমের রঙ কালো হতে পারে। আমরা ৭ দিন পর্যবেক্ষণ করবো। মধ্যে সাদা ডিম না পাড়লে ওই ডিমগুলো ঢাকায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের ল্যাবে পাঠাবো।