সোহাগী লঞ্চের মাস্টার মো. কামরুজ্জামান জানান, শনিবার ভোরে তিনিসহ লঞ্চের স্টাফরা ঘুমিয়ে থাকাকালে ঢাকা থেকে ভোলায় আসা এমভি কর্নফুলি-১১ লঞ্চ এমএল সোহাগীকে সজোরে ধাক্কা দেয়। সোহাগী কাত হয়ে ডুবে যাওয়ার সময় তিনিসহ লঞ্চের ক্যান্টিন মালিক মো. জামাল, কর্মচারী আবদুর রহমান ও হানিফ আহত হন।
এমভি কর্নফুলি-১১ লঞ্চের পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন জানান, সোহাগী লঞ্চটি ভেদুরিয়া ঘাট এলাকায় ভোলা খালের মোহনায় আড়াআড়ি ভাবে নোঙর করা ছিল। ঘন কুয়াশায় লঞ্চটিকে দেখতে না পাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
বিআইডব্লিউটিএ’র ভোলার ঘাট ইনচার্জ জানান, ডুবে যাওয়া সোহাগী লঞ্চটি ওঠানোর সব খরচ বহন করবে কর্ণফুলি লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে উভয়পক্ষের উপস্থিতিতে আলাপ হয়েছে। কোনও পক্ষ থেকে মামলা হয়নি।
/জেবি/এইচকে/