ভোলায় শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, একজনের মৃত্যু

ভোলায় তীব্র শীতে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ২৫ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ১৯ শিশু। এদের মধ্যে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে হাসপাতালে শিশুটির মৃত্যু হয়। তার নাম মুনতাহা। সে চরফ্যাশন উপজেলার আসলামপুর ইউনিয়নের আব্বাস উদ্দিনের মেয়ে। 

ভোলা জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ইমা আক্তার বলেন, ‘তীব্র শীতে গত এক সপ্তাহে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত ১৩৯ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছে ৬৩ শিশু। এদের বেশিরভাগ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, জেলায় জেঁকে বসেছে শীত। সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা মেলে না। ঘন কুয়াশা আর মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত সাধারণ মানুষ। তীব্র শীতের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। শীতে সবচেয়ে কষ্টে আছেন নদী পাড়ের বাসিন্দারা। শহরের বাইরে বাজার এবং রাস্তায় মানুষজন আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন। কাজে যেতে পারছেন না শ্রমিকরা। কুয়াশার কারণে লঞ্চ চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

মানুষজন আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করছেন, ভোলা সদরের ইলিশা এলাকা থেকে তোলা ছবি

ভোলা আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. মাহবুব রহমান বলেন, ‘রবিবার ভোলায় ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ঘণ্টায় ২ নটিক্যাল মাইল।’

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা এসএম দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘জেলার মানুষের জন্য ৩০ হাজার কম্বল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। যা দুস্থ এবং অসহায়দের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আরও বরাদ্দ পেলে বিরতণ করা হবে।’