গ্রেফতারের একদিন পরেই জামিনে মুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান

সন্দেহভাজন নাশকতা মামলায় বরগুনার সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মতিউর রহমান রাজা গ্রেফতারের একদিন পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ ডিসেম্বর) বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাসেল মজুমদারের আদালতে তার জামিনের আদেশ দেন।

মতিউর রহমান রাজা বরগুনা সদর উপজেলার ১ নম্বর বদরখালী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান। নির্বাচনের আগে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মৌখিকভাবে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেন।

জানা যায়, বরগুনা থানায় ২৯ অক্টোবর একটি নাশকতা মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় জনৈক মো. সেলিম মিয়াসহ  ১০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় চেয়ারম্যান এজাহারভুক্ত আসামি না হলেও ৭০/৮০ জন অজ্ঞাত আসামির মধ্যে মতিউর রহমানকে সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) বরগুনা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বশিরুল আলমের নেতৃত্বে গ্রেফতার করা হয়। এ ছাড়াও বরগুনা থানার এসআই আবু হানিফ বাদী হয়ে ২ নভেম্বর অপর একটি মামলা করেন। সেই মামলায় মতিউর রহমান ৫৫ নম্বর আসামি। দুটি মামলায় মঙ্গলবার জামিনের আবেদন করলে অসুস্থ ও বর্তমান চেয়ারম্যান বিবেচনায় এবং তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনও অভিযোগ না থাকায় জামিনে মুক্তির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

এ ব্যাপারে মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি কোনও নাশকতার সঙ্গে জড়িত নই। ২০২৩ সালের ৯ মে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠন থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছি। আমি আওয়ামী লীগের আদর্শে অন্তর্ভুক্ত হয়ে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর মাধ্যমে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর যদি আওয়ামী লীগে যোগদান করতে পারেন আমি কেন পারবো না?’

বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘রাজা আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। তিনি নির্বাচনে নৌকার পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে কেউ স্বেচ্ছায় আওয়ামী লীগে যোগ দিতে চায়, তাহলে তো তাকে নিতে হবে।’