বরগুনায় নির্বাচনি সহিংসতায় আহত ১৮, আটক ৫

নির্বাচনি সহিংসতাবরগুনায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রতে হামলা-পাল্টা হামলায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৮ জন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্পে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ৫জনকে আটক করেছে পুলিশ। বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াজ হোসেন পিপিএম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আহতদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন সোহেল, হারুন জোমাদ্দার, জব্বার, খোকন ও আজিজ। এদের মধ্যে তিনজনকে গুরত্বর অবস্থায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানান, বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ী ইউনিয়নের বুড়জীড় হাটে শুক্রবার রাতে স্বতন্ত্র পার্থী গোলাম কিবরিয়ার নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে । আনারস মার্কার বির্দ্রোহী প্রার্থী গোলাম কিবরিয়ার নির্বাচনি ক্যাম্পে রাত সাড়ে ১১টার দিকে নৌকার কর্মীরা হামালা চালান। একই সঙ্গে বুড়জীর হাটের বেশ কয়েকটি দোকানে হামলা চালান নৌকা প্রার্থীর কর্মীরা । পরর্বতীতে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ক্যাম্পও ভাঙচুর করা হয়। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় ১৫ থেকে ১৮ জন আহত হন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া বলেন, আমি কিছু লোক নিয়ে একটা সালিশ করছিলাম। এমন সময় শুনতে পাই নৌকা প্রতীকের প্রার্থী জুয়েল খানের নেতৃত্বে বুড়জীড় হাটে আমার নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করা হচ্ছে। সেখানে মোতালেব নামের এক কর্মীকে মারধর করা হয়েছে। পরে সন্ত্রাসীরা আমাদের সালিশেও হামলার জন্য আসে। আমি একটা ঘরে আশ্রয় নিলে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে। আমাকে আটকানোর খবর পেয়ে এলাকার মানুষ ছুটে আসলে তাদের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় আমার ১৫ থেকে ১৮ জন কর্মী আহত হন। 

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. জুয়েল খানের সঙ্গে মুঠো ফোনে যোগযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল।

নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুরের পর

এদিকে পাথরঘাটা উপজেলার কালেমেঘা ইউনিয়নে মধ্যে কালমেঘা আওয়ামী লীগের নির্বাচনি অফিসে হামলা, বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ সর্মথীত প্রার্থী গোলাম নাছির। বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে এ অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আকন মো. শহীদ রাত ১০টার দিকে তাদের অফিসে হামলা ও ভাঙচুর চালান।

আকন  মো. শহীদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যে কোনও মূল্যে আওয়ামী লীগের বিজয়ের জন্য মিথ্যা নাটক সাজানো হচ্ছে। আমাকে হুমকি দেয়া হচ্ছে যেন আমি মাঠে না থাকি। আমি যেন নির্বাচনি প্রচার না চালাই।

/এইচকে/