সালিশের কথা বলে ডেকে হাবিবুল্লাহ নামের এক মোটরসাইকেল চালককে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে মারধরের ৩০ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধুলারসার ইউনিয়নের চরচাপলি এলাকায়।
ভিডিওতে দেখা যায়, হাবিবুল্লাকে জামার কলার ধরে একটা লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছেন যুবদল নেতা ফেরদৌস আলম। এ সময় তাকে গালমন্দ করতেও শোনা যায়।
ভুক্তভোগীর এক স্বজনের দাবি, স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতাকে মোটরসাইকেলে বহন করায় চালক হাবিবুল্লাহকে মারধর করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাবিবুল্লাহর এক নিকটাত্মীয় দাবি করেন, ৪/৫ দিন আগে ধুলারসর ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব ফেরদৌস আলম সেখানকার একটি মাছের গদিতে ডেকে নিয়ে হাবিবুল্লাহসহ আরও ৩/৪ জনকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছেন। পরে সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে তাদেরকে ছেড়ে দেন। কিন্তু কে বা কারা এ ঘটনা ভিডিও করেছেন তা জানি না। মঙ্গলবার সকাল থেকে দেখি, সবার মোবাইলে সেই ভিডিও।
ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয় এলাকায়। আহত মোটরসাইকেল চালক হাবিবুল্লাহ কলাপাড়া উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সহ-সভাপতি দেলোয়ারের ছেলে।
যুবদল নেতা ফেরদৌস আলম দাবি করে, আসলে হাবিবুল্লাহর বিরুদ্ধে জেলেদের টাকা, মোবাইল চুরিসহ একাধিক অভিযোগ থাকায় তাকে ডেকে নিয়ে কয়েকটি চড়-থাপ্পড় মেরেছি। পরে ওর বাবাকে ডেকে এনে সবকিছু বুঝিয়ে বলেছি।