দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ : চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ১৪

পিরোজপুর

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী উপজেলার ৫নং জলাবাড়ী ইউপি নির্বাচনে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তাদের কর্মীদের মধ্যে সোমবার সংঘর্ষ হয়। এতে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ উভয় পক্ষের ১৪ জন আহত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী আশিষ বড়ালের কর্মী স্বরূপকাঠী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রহমত জানান, দুপুর ১২টার দিকে আমরা আরামকাঠী এলাকায় আমাদের এজেন্টদের নির্বাচনী খরচ দিতে যাই। বেলা ১২টার  দিকে জেপি’র চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদুল ইসলাম ও তার লোকজন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায়। হামলায় আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিষ বড়াল কৃষ্ণ (৪২),সজল (২২),ইশ্বর ঠাকুর (৫২) সুমন (২২) রুহুলসহ (৩২) ১৩ জন আহত হন।

এ বিষয়ে জেপির চেয়ারম্যান প্রার্থী তৌহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পরে তার বড় ভাই স্বরূপকাঠী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্বরূপকাঠী থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম মুইদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,বেলা সারে ১২টার দিকে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী আশীষ বড়াল ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলে করে আরামকাঠী এলাকায় এসে আমার ভাই তৌহিদুল ইসলামকে খুঁজতে থাকে। না পেয়ে তারা আমার ভাইয়ের কর্মী ছোট খলিলের ওপর হামলা চালায় এবং তার পা ভেঙে দেয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে আমাদের কর্মীরা ও এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে আশিষ ও তার কর্মীদের ধরে গণপিটুনি দেয়। আমাদের আহত কর্মী ছোট খলিলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বরূপকাঠী উপজেলা হাসপাতালের চিকিৎসক আসাদুজ্জামান জানান, হামলায় আহত আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী আশিষ বড়ালকে বরিশাল  শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠনো হয়েছে।

স্বরূপকাঠী থানার উপ-পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র বলেন,খবর পেয়ে আরামকাঠী এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত।

/জেবি/