শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘নকল শব্দটি আপাতত নেই। নকল মূলত উঠে গিয়েছে। আমি নকলের দাফন করেছি, নকলের চল্লিশা খেয়েই মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় নিয়েছি। নকলের কিছুটা মডেল পরিবর্তন হয়েছে। নকলের বিষয়ে কেবিনেটে উত্থাপন করেছি। সংসদের মাধ্যমে আইন পাস হবে। নকল যেমন কালার পরিবর্তন করছে, আমাদেরও কালার পরিবর্তন করতে হবে আইনিভাবে। এখন আর কাগজ দিয়ে নকল হয় না, ডিজিটাল মাধ্যম এআই উত্তর দিয়ে দিচ্ছে।’
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় বরিশাল সিটি কপোররেশনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী। এ সময় বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল সিটি কপোরোশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মাহফুজুর রহমান, পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমনসহ বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড, কারিগরি বোর্ডের বরিশাল অঞ্চলের আওতাধীন কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান শিক্ষকদের। আগামীতে সুন্দর পরিবেশে যাতে পরীক্ষা হয় সেদিকে নজর রাখারও পরামর্শ দেন তিনি।
শিক্ষকদের অবসর ভাতা কল্যাণ ট্রাস্ট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকরা অবসর ভাতা, কল্যাণ ট্রাস্ট ২০২২ সাল থেকে পাচ্ছেন না। শিক্ষকদের ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বিগত সরকার। এই বিশাল অঙ্কের টাকা আসতে সামনের বাজেট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কাঠামোগত যে পরিবর্তন করা দরকার ইতিমধ্যে তা করা হয়েছে। বিএনপি সরকারের সময়ে শিক্ষকদের জন্য উৎসব ভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু বিগত ১৭ বছরে এক টাকাও আর বাড়েনি।’
তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার এনটিআরসি গঠন করেছিল। কিন্তু বিগত সরকার এটিকে দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করায় তা বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। বর্তমানে প্রধানশিক্ষক নিয়োগ ও শিক্ষক বদলি সব এনটিআরসির মাধ্যমে নিয়ে আসা হয়েছে।’