রাহাত সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুস শুক্কুর মোল্লার ছেলে। তার মাথা, পিঠ ও হাতের কব্জিতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে কর্তবরত চিকিৎসক ডা. দিলসাদ জানিয়েছেন।
রাহাত অভিযোগ করেন, শহরের সদর চৌমাথা থেকে মোটরসাইকেল যোগে যাওয়ার পথে বায়তুল মোকারম মসজিদের সামনে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিক, ছাত্রলীগের শেখ সজীব ও ব্যাবসায়ী সরোয়ার তার গতি রোধ করে মাথা ও হাতে আঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
জানা গেছে, ১৩ এপ্রিল শহরের বারচালার সামনে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতির ভাড়াটে দোকানে টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ফজলুল হক আজিম, সদর উপজেলার সভাপতি রফিকুল ইসলাম রাহাত ও জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক উজ্জলের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একটি গ্রুপ। এ ঘটনায় ঝালকাঠি সদর থানায় মামলা দায়ের হলে আসামীরা পলাতক ছিল।
পূর্ব শত্রুতা থাকলেও হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ঘটনার সময় আমি শহরেই ছিলাম না। হামলা করার কোনও প্রশ্নই আসে না। পূর্ব বিরোধের জের ধরে এ ঘটনার সঙ্গে আমাকে জড়ানোর চেষ্ঠা করা হচ্ছে।
ঝালকাঠি সদর থনার ওসি মাহে আলম বলেন, রাহাতকে আঘাত করার কথা শুনেছি। তার মাথা ও হাতে সামান্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ব্যাপারে কেউ এখন পর্যন্ত কোনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন:
/এআর/