তবে নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘটের প্রথম দিনে বরিশাল নদীবন্দর থেকে সরকার সমর্থক মালিকদের ৩টি লঞ্চ চলাচল করেছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় পারাবত-৯,টিপু-৭ কিছু যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। এছাড়া ঝালকাঠী দিয়ে ফারহান-৭ রাত সাড়ে ৮টায় বরিশাল ঘাট হয়ে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
তবে ধর্মঘটে বিআইডব্লিউটিসির যাত্রী পরিবহনে কোনও প্রভাব পড়েনি। বরিশাল নদীবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় পিএস অস্ট্রিচ।
এদিকে ধর্মঘটের ফলে দুর্ভোগ বেড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রী এবং নদীবন্দর কেন্দ্রিক পেশাজীবীদের। যাত্রীরা বিকল্প উপায়ে বা সড়ক পথে ঢাকাসহ অন্যান্য গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে জীবিকা অর্জনে দুর্ভোগে পড়েছে নদীবন্দর কেন্দ্রিক দিনমজুর, হকার ও ব্যবসায়ীরা।
নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি একিন আলী জানিয়েছেন, তাদের দাবি মানা না হলে ধর্মঘট প্রত্যাহার বা স্থগিত করার কোনও সম্ভাবনা নেই। এসময় নদীবন্দর ও পন্টুন এলাকায় ধর্মঘটি শ্রমিকরা মিছিল করে। এদিকে কোতোয়ালি থানার ওসি সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘাটে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
আরও পড়ুন:
/এএইচ/