পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় স্কুর ছাত্রের মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় এই ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মো. নাঈম। সে গলাচিপা উপজেলার উলানিয়া কাছারিকান্দা গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার অভিযোগ করে বলেন, নাঈম (১৫) দুপুরে খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিল। হঠাৎ তার শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে বলে চিৎকার শুরু করে। তাৎক্ষনিকভাবে তাকে গলাচিপা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেন। বিকেল ৫টায় পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগ থেকে তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
নাইমের ভগ্নিপতি নাসির সাংবাদিকদের জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নাইমকে কোনও চিকিসৎক দেখতে আসে নাই। তিনি মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. আতিকুর রহমানের চেম্বারে গিয়ে কান্নাকাটি করার পরও তিনি হাসপাতালে আসেননি। তিনি হাসপাতাল থেকে ফাইল পাঠিয়ে দিতে বলেন। তাতে তিনি ওষুধ লিখে দেন। ডাক্তারা ওষুধ খাওয়ানোর আগেই রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাঈমের মৃত্যু হয়।
আরও পড়তে পাড়েন : ‘ইউপি নির্বাচন অর্থহীন, কমিশন সাক্ষী গোপাল’
জরুরি বিভাগের ডাক্তার দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান,রোগী জরুরি বিভাগে আসার পর তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিয়ে ওয়ার্ডে পাঠানো হয়েছে। ওয়ার্ডে রোগী অবস্থা খারাপ হলে সেখান থেকে ডাক্তার কল করার কথা। কেন কল করা হয়নি তার জানা নেই।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্ববধায়ক ডা. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, ওয়ার্ড থেকে ডাক্তারকে কল দেওয়া হয়নি যার কারণে তিনি আসেননি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য পরিবারে পাঁচ ভাই এক বোনের মধ্যে নাঈম ছিল সবার ছোট । ২২দিন আগে নাঈমের বাবা চান মিয়া মারা যান।
/জেবি/