নিহত অনিমা বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার হোগলাপাশা ইউনিয়নের বড় হরিপুর এলাকার অনন্ত বাছারের মেয়ে। তার স্বামী উত্তম মীরবর পেশায় একজন দিনমজুর বলে জানা গেছে।
স্থানীয় চৌকিদার শহিদুল ইসলাম দুলাল বলেন, কালীবাড়ী সাইক্লোন সেন্টার এলাকায় থাকা এক চিকিৎসকের কাছ থেকে মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে ফেরার পথে একাধিক নারী আমাকে জানায় উত্তম মীরবরের স্ত্রী অনিমা তাদের ঘরে মৃত অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর আমি সেখানে গিয়ে বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য ও পিরোজপুর থানা পুলিশকে জানাই এবং তার স্বজনদের খুঁজতে থাকি। কিছুক্ষণ পর তার শাশুড়ি একটি বাজারের ব্যাগ নিয়ে বাড়িতে আসেন। এসেই অনিমাকে মৃত দেখতে পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন।
৫ নং মিরুয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর রাজ্জাক খোকা জানান, উত্তম একজন দিনমজুর। তিনি নেশাসক্ত ছিলেন।
নিহত অনিমার চাচা উত্তম বাছার বলেন, বিয়ের পর থেকেই উত্তম মীরবর যৌতুকের দাবিতে তার স্ত্রীকে নির্যাতন করে আসছিল। আমরা সাধ্যমত উত্তমের অন্যায় আবদার পূরণ করেছি। উত্তমের সাত বছর বয়সী একটি ছেলে আছে। সে আমাদের বাড়িতে থেকে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে।
উত্তম বাছার দাবি করে বলেন, আমার ভাইয়ের মেয়ে অনিমাকে তার স্বামী গলাটিপে হত্যা করেছে।
আরও পড়ুন:
পিরোজপুর সদর থানার উপ-পরিদর্শক বিপ্লব জানান, সুরতহালে অনিমার গলায় দাগের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনিমা রানীর শাশুড়ি কল্পনা রানীকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পিরোজপুর সদর হাসপাতালের আরএমও ননী গোপাল রায় বলেন, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এ বিষয়ে কিছুই বলা যাবে না।
/বিটি/টিএন/