তনুর বাবা ইয়ার হোসেন জানান, মির্জাপুর গ্রামের বাড়িতে তনুর জন্য মিলাদ পড়ানো হয়। সেখানে আড়াই শতাধিক মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এ উপলক্ষে তনুর মা আনোয়ারা বেগম, দুই ভাই নাজমূল হোসেন ও আনোয়ার হোসেনও গ্রামের বাড়িতে যান। সেখানে তাদের অন্যান্য আত্মীয় স্বজনরাও উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০ মার্চ রাত সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার কাছ থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করেন বাবা ইয়ার হোসেন। পরদিন দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মরদেহের প্রথম ময়নাতদন্ত হয়। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে ধর্ষণের আলামত এবং মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য ৩০ মার্চ তনুর লাশ কবর থেকে তোলা হয়। লাশ তোলার ২৯ দিনেও তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া যায়নি। তনুর মৃত্যুর ৪০দিনেও পুলিশ হত্যাকারীদেরকে শনাক্ত করতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
মা জানেন জুলহাজ বিদেশে চিকিৎসাধীন
/বিটি/