সকাল সাড়ে নয়টায় ছাগলনাইয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরো কেন্দ্র ফাঁকা। এই কেন্দ্রে উপস্থিত একাধিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক জানান, বহিরাগতদের কারণে এই কেন্দ্রে উল্লেখযোগ্য কোনও ভোটার উপস্থিতি দেখা যায়নি।
তবে এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আমজাদ হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, এই কেন্দ্রে তখন পর্যন্ত ২শ’ ভোটার দিয়েছেন। অপরদিকে জাল ভোট দেওয়ায় ৭০টি ভোট বাজেয়াপ্ত করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ।
সাড়ে ১০টার সময় ছাগলনাইয়া শিশু পরিবার কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, পুরো কেন্দ্রই তখন ফাঁকা। এই কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী রহমত উল্লাহর সঙ্গে। তিনি বাংলা ট্রিবিউনের কাছে অভিযোগ করেন, ভোট দিতে গিয়ে তিনি দেখতে পেয়েছেন, তার ভোট দেওয়া হয়ে গেছে।
ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইদুল হক জানান, সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ২শ’ পঞ্চাশটি। কিন্তু সাধারণ ভোটারদের দাবি এই সময়ের মধ্যে কোনও ভোটারই কেন্দ্রে ঢুকতে করতে পারেননি।
এই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইদুল হক জানান, এই কেন্দ্রে জাল ভোটের কারণে ৬৫টি ভোট বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই অবস্থা পূর্বছাগলনাইয়া, সতর, হিছাছড়াসহ বাকি ৮টি কেন্দ্রে।
তবে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ভোট গ্রহণ চলছে।
/জেবি/টিএন/আপ-এনএস/