মিতু হত্যাকাণ্ড: আটক চারজনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

মাহমুদা খানম মিতুপুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্ট সন্দেহে আটক চার ব্যক্তির সবাইকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটান পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
জেলার মেট্রোপলিটান পুলিশের এই কমিশনার বলেন, সন্দেহজনক বিবেচনায় ও তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে হেফাজতে নিয়েছিলাম। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার কোনও আলামত না মেলায় সোমবার সন্ধ্যায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
আটক এই চার ব্যক্তির পরিচয় ও আটকের স্থানসহ কোনও তথ্যই গণমাধ্যমকে জানায়নি পুলিশ।
এর আগে খুনিদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি রবিবার গভীর রাতে নগরীর বাদুড়তলার বড় গ্যারেজ এলাকায় রাস্তায় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। এটিই যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কমিশনার ইকবাল বাহার।

জব্দ করা মোটরসাইকেলটি বর্তমানে ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে। এর হেলমেটে তিনটি চুল পাওয়া গেছে। অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) চট্টগ্রামের পরিদর্শক মিতশ্রী বড়ুয়া জানিয়েছেন, ডিএনএ টেস্টের জন্য আলামতগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

রবিবার সকালে সাড়ে ৬টার দিকে ছেলেকে স্কুলের বাসে তুলে দেওয়ার আগে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে দুর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাত ও গুলি করে মিতুকে হত্যা করে।

বাবুল আক্তার সম্প্রতি পুলিশ সুপার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে ঢাকার পুলিশ সদর দফতরে যোগ দেন। এর আগ পর্যন্ত গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের উত্তর-দক্ষিণ জোনের দায়িত্বে ছিলেন। জঙ্গিবিরোধী বেশ কয়েকটি অভিযোনে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: বাগেরহাটে অন্তঃসত্ত্বা তরুণীকে হত্যার দায়ে ১ জনের ফাঁসি

/এইচকে/