পাহাড়-প্রকৃতির টানে খাগড়াছড়িতে হাজারো পর্যটক

পর্যটকদের ভিড়

ঈদের ছুটিতে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি মুখরিত হাজারো পর্যটকের পদচারণায়। বর্ষায় সবুজ পাহাড়, নদী, ঝরনা, গুহা ও প্রকৃতি দেখে মুগ্ধ তারা।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন ও খাগড়াছড়ি পর্যটন মোটেল সুত্রে জানা গেছে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আদিবাসীদের বৈচিত্র্যময় জীবন-সংস্কৃতির কারণে পর্যটকদের কাছে দিন দিন আকর্ষণ বাড়ছে এ জেলার।

জেলায় হর্টিকালচার পার্ক, আলুটিলার প্রাকৃতিক গুহা, রিছাং ঝরনা, মাটিরাংগার শতবর্ষী বটগাছ, মহালছড়ির দেবতা পুকুর, দিঘীনালার হাজাছড়া-তৈদুছড়া ঝরনাসহ রয়েছে শতাধিক মনোরম পর্যটন কেন্দ্র। প্রকৃতি প্রেমীরা তাই ভিন্নমাত্রার আমেজ ও ভিন্ন স্বাদ পেতে ছুটে আসেন খাগড়াছড়ির পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে।

ঢাকার থেকে আসা মাহজাবিন আয়েশা বলেন, ঈদের ছুটিতে তিনি খাগড়াছড়িতে বেড়াতে এসেছেন। পাহাড় ও প্রকৃতি দেখে তার খুব ভালো লেগেছে।

বিনোদন কেন্দ্র

চট্রগ্রামের সীমা দেবনাথ বলেন, ‘পুরো পরিবারকে নিয়ে ঈদ উপলক্ষে খাগড়াছড়ি বেড়াতে এসেছি। খাগড়াছড়ি খুব সুন্দর জায়গা। আমাদের খুব ভালো লেগেছে।’

ঢাকা থেকে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আসা হাসান হাফিজ বলেন, তিনি খাগড়াছড়িতে এসেছেন ঈদের দিন সকালে। সেই থেকে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভ্রমণ করেছেন তিনি। পাহাড় ও প্রকৃতি দেখে খুব মুগ্ধ হয়েছেন। তার ভালো লেগেছে। জীবনের অনেক কষ্ট ভুলে গেছেন।

খাগড়াছড়ি জেলা হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, তার জানা মতে ঈদের পরের ১৫ দিন পর্যন্ত খাগড়াছড়ির সব হোটেল বুকিং আছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সকল হোটেলে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নেওয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

খাগড়াছড়ি

খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ সুপার মজিদ আলী বলেন, ঈদের ছুটিতে খাগড়াছড়িতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে। তিন স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। গুলশান ও শোলাকিয়া ট্র্যাজিডির কথা বিবেচনা করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঈদে পুলিশ সদস্যদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বিনোদন কেন্দ্রে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া যেসব পর্যটক খাগড়াছড়ি হয়ে সাজেক যাবেন তাদের জন্য ও অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

 

/এসটি/