সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মঈনুর রহমান জানান, সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরশহরের কাউতলি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রী ওঠানো নিয়ে মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর ও আটলা গ্রামের দুই সিএনজি অটোরিকশা চালকের কথা কাটাকাটি হয়। পরে তারা দুজনই সিএনজি নিয়ে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চান্দপুর বাজারে গেলে সেখানে আবারও তাদের মধ্যে তর্ক ও হাহাতির ঘটনা ঘটে। এরই জের ধরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সংঘর্ষকারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের পাঘাচং রেলওয়ে স্টেশনে অবস্থান নিলে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রেলপথে এক ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। এর ফলে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেন আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন ও আখাউড়াগামী তিতাস কমিউটার ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়ে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার মো. মাঈনুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষকারীরা রেললাইন থেকে সরে গেলে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকার সর্ম্পকে জানতে চাইলে ওসি মো. মঈনুর রহমান জানান, রেললাইনের পাশে দুই গ্রামের মধ্য মারামারি হয়েছে। এতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হওয়ার মতো কোনও পরিবেশ ছিল না। কিন্তু পাঘাচং ষ্টেশন মাস্টার কোনও কারণ ছাড়াই ট্রেন চলাচল বন্ধ রেখেছেন।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে পাঘাচং ষ্টেশন মাস্টার মো. নুরুন্নবীর সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন: খুলনা কারাগার চত্বরে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্কে এলাকাবাসী
/এআর/