এদিকে ঘটনার পর থেকে নাজমুল হোসেনকে পাওয়া যাচ্ছে না।
মীম প্যাক্স অ্যাগ্রো কমপ্লেক্স কুমিল্লা ডিপোর ইউনিট ম্যানেজার শেখ আল মাহমুদ জানান,বৃহস্পতিবার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার নাজমুল হোসেনকে নাইটগার্ড হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। শনিবার অফিসে এসে তাকে পাওয়া যায়নি। রবিবার অফিসের পেছনে গিয়ে দেখা যায় সেপটিক ট্যাংকের ঢাকনা খোলা। পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ নাজমুলের স্ত্রী ও সন্তানের লাশ উদ্ধার করে। নাজমুল পরিবার নিয়ে অফিসের পাশে বাসা ভাড়া বাড়িতে থাকতো।
কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার ওসি আবদুর রব জানান, প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাজমুলকে পেলে বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে। ময়নাতদন্তের জন্য তাদের লাশ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ছিনতাইকারীদের গুলিতে আহত বিকাশ কর্মী রবিউলের মৃত্যু
/এআর/