বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত আসামি হলেন একই গ্রামের মো. তানভীর।
কুমিল্লা জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর কার্যালয় সূত্র ও মামলার বিবরণে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামিদের সঙ্গে মামলা থাকার আক্রোশে এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মাসুম ও আমান উল্ল্যাহ ২০০৩ সালের ৮ মার্চ ইজ্জত আলীকে গলাকেটে হত্যা করে বরুড়ার বড় ধর্মপুর হাফিজ্জা খোলা পাহাড়ি রাস্তার উপর লাশ ফেলে রাখে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ওইদিনই নিহত ইজ্জত আলীর ভাই কুমিল্লা বরুড়া উপজেলার বড় বাতুয়া গ্রামের লিয়াকত আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৭/৮জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কাজী মাহাবুবুর রহমান ওই বছরের ২ নভেম্বর পাঁচজনকে আসামি করে চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপক্ষে ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে চার আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং একজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট আরিয়া মেহের ইমাম এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ফারুক আহমেদ।
আরও পড়ুন:
হবিগঞ্জে চার শিশু হত্যা মামলার চার্জগঠন ১ সেপ্টেম্বর
/বিটি/