ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তোফায়েল আহম্মদ তপু জানান, কর্মসূচীতে সর্বোচ্চ সংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন ইউনিটের নেতাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
একই কথা বলেছেন শহর সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত রাজু ও সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক আবদুশ শুক্কুর মানিক।
এই কর্মসূচিতে সংগঠনের প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী জড়ো করা হবে বলে সাংগঠনিক দায়িত্বশীল সূত্র থেকে জানা গেছে।
জেলা ছাত্রলীগের সূত্র জানিয়েছে, অশান্ত ফেনীকে শান্তির জনপদে পরিণত করেছেন নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি। পরিচ্ছন্ন ছাত্রলীগ উপহার দিতে প্রকৃত ছাত্রদের রাজনীতিতে আনা হয়েছে। একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। নিজাম হাজারী শুধু একটি দলের নেতা নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠানও। বিচারের নামে কোনও প্রহসন হলে তা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা মেনে নেবে না।
অপর একটি সূত্র জানায়, আগামী ৩০ আগস্ট রায়ের নির্ধারিত তারিখে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। ওই সভায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখবেন।
এ প্রসঙ্গে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ হায়দার জানান, ৩০ আগস্ট সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও ষড়যন্ত্রের ব্যানারে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচীতে প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবে।
এর আগে আদালত সূত্র জানায়, অস্ত্র মামলায় বিচার শুরুর আগে নিজাম হাজারী কতদিন জেল খেটেছেন, সে বিষয়ে নথিটি না পাওয়ায় রায় দেননি আদালত। ‘সাজা কম খেটেই বেরিয়ে যান সাংসদ’ শিরোনামে ২০১৪ সালের ১০ মে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ২০০০ সালের ১৬ আগস্ট অস্ত্র আইনের এক মামলায় নিজাম হাজারীর ১০ বছরের কারাদণ্ড হয়। কিন্তু দুই বছর ১০ মাস কম সাজা খেটে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
পরে ওই প্রতিবেদন যুক্ত করে নিজাম হাজারীর সংসদ সদস্য পদে থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন ফেনী জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন ভুঁইয়া।
রিট আবেদনে বলা হয়, সংবিধানের ৬৬(২) (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনও ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার এবং সংসদ সদস্য থাকার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোনও ফৌজদারি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে কমপক্ষে দুই বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বছর অতিবাহিত না হয়ে থাকে।
এর আগে রায়ের দিন ২৩ আগস্ট নির্ধারণ করেছিলেন আদালত। এর আগে তারিখটি ছিল ১৭ আগস্ট।
/এইচকে/