ফাঁসির রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করেছিলেন মীর কাসেম। মঙ্গলবার আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে ফাঁসির রায় বহাল রাখেন।
আদালতের রায়ের পর বাংলা ট্রিবিউনকে হাসিনা খাতুন বলেন, ‘আমি খুবই খুশি হবো, যদি দ্রুত মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। ১৯৭১ সালে ঈদুল-উল-ফিতরের পর জসিমকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তাকে রাখা হয় ডালিম হোটেলে। সেখানে মীর কাসেমের নেতৃত্বে আলবদর বাহিনীর সদস্যরা তার ওপর নির্যাতন চালায়। ওই নির্যাতনে মৃত্যু হয় জসিমের। পরে তার মরদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলা দেওয়া হয়।’
হাসিনা খাতুন বলেন, ‘যুদ্ধের সময় জসিম একদিন আমাদের বাড়িতে এসেছিল। তারপর তার আর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলো না। আমি তাকে খোঁজা শুরু করি। একপর্যায়ে অ্যাডভোকেট শফিউল আলম জানান, ডালিম হোটেলে আলবদর ক্যাডারদের নির্যাতনে জসিম মারা গেছে। অ্যাডভোকেট শফিউল আলমকেও ওই হোটেলে বন্দি করে রাখা হয়।’
মীর কাসেমের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া হাসিনা খাতুন আরও বলেন, ‘যুদ্ধের শুরুতে জসিম গ্রামের বাড়িতে ছিল। তখন জ্বালানি হিসেবে কেরোসিন তেলের সঙ্কট ছিল। জসিম বিভিন্ন এলাকা থেকে কেরোসিন সংগ্রহ করে মুক্তিযোদ্ধাদের সরবরাহ করতো। এ বিষয়টি জানতে পেরে আলবদর বাহিনীর লোকজন তাকে ধরে নিয়ে যায়।’
/এআরএল/এনএস/