সাথীর আত্মহত্যার বিচার দাবিতে রবিবার দুপুরে মানববন্ধন ও মিছিল করে জেলা শিশু কিশোর মেলা। সংগঠনের নতুর বাজার কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু করে মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে শহরের শপথ চত্বর মোড়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে।
মানববন্ধনে বলা হয় সাথীর অপমানের সঙ্গে যুক্ত অপরাধীদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
এদিকে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ। জেলা বাসদের সমন্বয়ক কমরেড শাহজাহান তালুকদার, মহিলা ফোরামের দিপালী রানী দাসসহ কয়েকজন সাথী আক্তারের বাড়ি যান।
সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাথীর বাবা অতি দরিদ্র হওয়ায় কারণে একত্রে টাকা দিতে পারেননি। ৩০ টাকা পরে দেওয়ার কথা বলায় সাথীকে শাস্তি হিসেবে অনেক ছাত্র-ছাত্রীর সামনে স্কুল মাঠে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এতে মেয়েটি অপমানে, অভিমানে, লজ্জায় আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
বাসদ নেতারা তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধী শিক্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
উল্লেখ্য, গত ২৯ আগস্ট সোমবার চাঁদপুর বাগাদী গণি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী সাথী আক্তার আত্মহত্যা করে। পরীক্ষার ফি’র ৩০ টাকা দিতে না পারায় অফিস সহকারী-শিক্ষক ফাতেমা বেগম তাকে কান ধরে ওঠবোস কারন এবং রোদে দাঁড় করিয়ে রাখেন। লজ্জা ও অপমানে মেয়েটি আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সাথীর বাবা। পুলিশ স্কুলের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলাউদ্দিন মজুমদারকে গ্রেফতার করেছে।
/এমএসএম/আপ-এআর/