শেষ মুহূর্তে মিয়ানমার থেকে আসছে কোরবানির পশু

টেকনাফ হয়ে মিয়ানমার থেকে আসছে কোরবানির পশুশেষ মুহূর্তে মিয়ানমার থেকে আসছে কোরবানির পশু। যা অন্যান্য বারের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি। গত দু’দিনে (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) মিয়ানমার থেকে এসেছে ১ হাজার ২০টি পশু।
টেকনাফ স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঈদ আসতে আরও ৩দিন বাকি রয়েছে। আমরা ব্যবসায়ীদেরকে মিয়ানমার থেকে আরও বেশি পশু আনতে সহযোগিতার পাশাপাশি উৎসাহিতও করছি।
এনিয়ে চলতি মাসের এই ৯দিনে কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে কোরবানির পশু এসেছে ১হাজার ৬৪৯টি।
হঠাৎ মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় পশু বেচা-বিক্রিতে ধস নেমেছে। হতাশার কথা জানান দেশীয় পশু খামারিদের অনেকে।
টেকনাফ স্থলবন্দর সূত্র জানায়, শুরুতে মিয়ানমার থেকে পশু কম আসলেও বর্তমানে প্রচুর পরিমাণ গরু-মহিষ ও ছাগল আসছে। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডোর হয়ে চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ৯ দিনে ১ হাজার ৬৪৯ টি পশু আমদানি হয়েছে।
এরমধ্যে শুধুমাত্র বৃহস্পতি ও শুক্রবার ১হাজার ২০টি পশু। আমদানিকৃত পশুর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৩০৫টি গরু, ৩শ’ ১২টি মহিষ এবং ৩২টি ছাগল।

এর বিপরীতে সরকার আয় করেছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৩০০ টাকা। এর আগে আগস্ট মাসে ২ হাজার ৫৪৭টি কোরবানির পশু আমদানি হয়েছে। আমাদানিকৃত পশু থেকে সরকার ১২ লাখ ৭১ হাজার ৩০০ টাকা রাজস্ব পেয়েছে। যা অন্যান্য মাসের তুলনায় তিন গুণ বেশি।

ঈদের আগে আরও ২হাজার গরু আমদানির টার্গেট রয়েছে উল্লেখ করে টেকনাফের গরু ব্যবসায়ী মৌলভী বোরহান উদ্দিন জানান, শুরুতে মিয়ানমার পশু আমদানি কম হলেও এখন প্রচুর আনা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আমার দুই ট্রলার যোগে মিয়ানমার থেকে প্রায় সাড়ে ৪ শতাধিক গরু-মহিষ ও ছাগল আসছে।  তাই বাজারও একটু স্বাবাভিক হয়ে ফিরতে শুরু করেছে।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত টেকনাফ শাহপরীরদ্বীপ করিডোর দিয়ে গত কয়েকদিনের তুলনায় মিয়ানমার থেকে ট্রলার ভর্তি ৩৭০টি পশু শুক্রবার পৌঁছেছে ব্যবসায়ী মৌলভী বোরহান উদ্দিনের।  এছাড়াও  আরও কয়েবজন ব্যবসায়ীর কাছে মিয়ানমার থেকে ট্রলার যোগে পশু আসছে। 

মিয়ানমার থেকে নাফ নদী হয়ে করিডোর দিয়ে দেশে আসছে গরু, মহিষ ও ছাগল। ট্রলারযোগে ব্যবসায়ীরা আমদানি করছেন এসব পশু।

কোরবানির ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততোই পশু আমদানি বাড়ছে । কোরবানির ঈদের পূর্বে আরও ৭ হাজার  পশু আমদানি করা হবে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রামের গরু ব্যবসায়ী মো. আরিফ জানান, শুরুতে টেকনাফ থেকে গরু ক্রয় করতে এসে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল তাকে। কিন্তু, এখন টেকনাফে প্রচুর কোরবানির গরু পাওয়া যাচ্ছে।

/এইচকে/

পড়ুন: খুলনার পশুর হাটে ৫ ঘণ্টায় আড়াইশ’ পশু বিক্রি