বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টা থেকে ৬ ইঞ্চি করে গেইট খুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে স্পিলওয়ে দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৯ হাজার কিউসেক পানি ছাড়া হচ্ছে।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হ্রদে পানি রয়েছে ১০৮ দশমিক ৫ এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। পানির সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল ।
কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক মো.আবদুর রহমান জানান, হ্রদে রুলকার্ভ অনুযায়ী স্বাভাবিক নিয়মে ১০৬ দশমিক ৫ এমএসএল পানি থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে পানি আছে ১০৮ দশমিক ৫ এমএসএল। অর্থাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ফুট পানি বেশি রয়েছে। হ্রদে পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ ফুট। এ উচ্চতা অতিক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে বাঁধ রক্ষায় অতিরিক্ত পানি স্পিলওয়ে দিয়ে ছেড়ে দিতে হয়। তিনি আরও জানান, পানির চাপ কমাতে কেন্দ্রের ৫টি ইউনিট পর্যায়ক্রমে চালু রাখা হয়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে অতিরিক্ত পানি বের হয়ে গেলেও উজান থেকে আসা পানির চাপ কমানো সম্ভব হচ্ছে না। অবস্থার উন্নতি না হলে পানি ছাড়ার পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে।
এদিকে, হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হ্রদ সংলগ্ন বিলাইছড়ি, লংগদু, জুরাছড়ি ও রাঙামাটির অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া স্পিলওয়ে দিয়ে পানি ছাড়ায় ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের নিম্মাঞ্চলের অনেক স্থানে নতুন করে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে।
/এমডিপি/