সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য এসইউএম আবদুস সামাদ বলেন, ‘কওমি, হেফাজতে ইসলাম ও ওহাবিয়ায় বিশ্বাসী নেতা ও কর্মীরা ‘‘খাঁটি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত’’ নামে নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালায়। হেফাজতের সদস্য ও উপজেলা চত্বরের ইমাম মোখলেসুর রহমান সরাসরি এ হামলায় জড়িত।’
আহলে সুন্নাতের সদস্য সচিব মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার দাবি করেন, ওইদিন শান্তিপূর্ণভাবে পুলিশি পাহাড়ায় র্যালি করছিলেন তারা। সেখানে উপজেলা চেয়ারম্যান, থানা আওয়ামী লীগ প্রেসিডেন্ট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এএসপির উপস্থিতির কথা জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘যখন হেফাজতের কর্মীরা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়ি ও মন্দিরে হামলা চালায় ও লুটপাট শুরু করে তখন র্যালিতে উপস্থিত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের কোনও কর্মীর কাছে অস্ত্র ছিল না।’
লিখিত বক্তব্য শেষে সংগঠনটির সদস্য সচিব বলেন, তারা বিশ্বাস করেন কারও অপরাধের দায় পুরো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর পড়তে পারে না। কাবা শরীফের উস্কানিমূলক ছবি পোস্ট করা ব্যক্তির শাস্তি দাবি করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমিটির প্রধান মাওলানা এমএ মতিন, নেতা মাওলানা এমএ মান্নান, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ প্রমুখ।
/এফএইচএম/