লক্ষ্মীপুরে কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে মাছ ব্যবসায়ীদের প্রায় ৯ লাখ টাকার মাছ লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জাটকার অজুহাত দেখিয়ে তারা ১২টি ঝুড়িতে থাকা বড় আকারের ইলিশ, পাঙ্গাস, আইর, পোয়া ও চিড়িং মাছ হাতিয়ে নেয়।
শনিবার (১২ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন লক্ষ্মীপুর মাছ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির নেতারা। এসময় মৎস্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ ও জড়িত কোস্টগার্ডের কর্মকর্তাদের বিচার দাবি করা হয়।
অভিযোগে বলা হয়, সদর উপজেলার চররুহিতাসহ বিভিন্ন গ্রামের আবদুর রব, ইউছুফ, আবুল কাশেম ও আবদুল গফুরসহ ৮ জন মাছ ব্যবসায়ী শুক্রবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কমলনগরের মতিরহাট থেকে ১২ ঝুড়ি (৯ লাখ টাকা মূল্যের) মাছ নিয়ে মজু চৌধুরীর হাটে আসছিলেন। এসময় মজু চৌধুরী হাটের বেড়িবাঁধের ওপর মসজিদের সামনে আসলে কোস্টগার্ড তাদের গতিরোধ করে। তারা জাটকার অজুহাত দেখিয়ে সব মাছ রেখে দেয়। একপর্যায়ে পল্টুনে নিয়ে বড় সাইজের মাছগুলো আলাদা করে সরিয়ে ফেলে। অন্য কোনও স্থান থেকে কিছু ছোট মাছ সংগ্রহ করে তারা জেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দেয়। পরে ওই ছোট মাছগুলো নিরীহ লোকজনের মাঝে বিতরণ করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাছ ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি মনির হোসেন মাঝি, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান রবি ও সদস্য আবুল কাশেমসহ ১৪-১৫ জন জেলে ও মাছ ব্যবসায়ী।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীহাট ক্যাম্পের কন্টিজেন্ট কমান্ডার এনামুল হক চৌধুরী বলেন, অবৈধ ৪০ মন জাটকা জব্দ করা হয়েছে। সেসঙ্গে দু-একটি অন্য প্রজাতির মাছও ছিল। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে মাছগুলো এতিমখানায় ও হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়। অন্য সব অভিযোগ মিথ্যা।
/এআর/