গত ২৫ নভেম্বর অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বাংলা ট্রিবিউন’-এ ‘ভিক্ষুক ও ব্যবসায়ীদের উপদ্রবে সৈকতে বিব্রত পর্যটকরা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে কক্সবাজারের ট্যুরিস্ট পুলিশ। এর প্রেক্ষিতে সোমবার (২৮ নভেম্বর) থেকে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হোসাইন মো. রায়হান কাজেমীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে অ্যাকশনে নামে। এসময় সৈকত থেকে টোকাই, ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীসহ ১৭ শিশুকে আটক করা হয়।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হোসাইন মো. রায়হান কাজেমী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পর্যটকদের আনন্দ ভ্রমণ আরও স্বাচ্ছন্দময়ী করে তুলতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত ঘোষণা করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। এরই প্রেক্ষিতে বিচ সিমানায় টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ঘোষণা বাস্তবায়নে রবিবার থেকে মাঠে নেমেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
তিনি আরও বলেন, আটক হকার, টোকাই, ভিক্ষুক ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের। এতে করে আমরা বিশ্ব দরবারে কক্সবাজারকে আরও বেশি তুলে ধরতে পারবো। আমরা চেষ্টা করছি সমুদ্র সৈকতে পর্যটক আগমণ বাড়াতে। এ চিন্তা থেকে সমুদ্র সৈকত এলাকাকে ভিক্ষুক ও হকারমুক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়াও টোকাই ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের দমনেও কঠিন নীতি অবলম্বন করা হবে বলেও জানান ট্যুরিস্ট পুলিশের ওই কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, গত ২৫ নভেম্বর বাংলা ট্রিবিউন ‘ভিক্ষুক ও ব্যবসায়ীদের উপদ্রবে সৈকতে বিব্রত পর্যটকরা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা দেশী-বিদেশী পর্যটকরা স্থানীয় ভিক্ষুক, টোকাই, হকার, ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কাছে প্রতিনিয়ত লাঞ্ছিত ও বিব্রত হচ্ছে। এরপর ওই প্রতিবেদনটি ট্যুরিস্ট পুলিশের নজরে আসে।
/এআর/