কক্সবাজার হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন জানান, যে সময় পর্যটকরা আসেন না সাধারণত ওই সময় বিচ কার্নিভাল হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিকভাবে এ রকম অনেক আয়োজন তিনি দেখেছেন। এ কার্নিভাল আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো যে সময় পর্যটকরা কম আসেন, ওই সময় বিশেষ ছাড় ও বিশেষ ব্যবস্থায় পর্যটকদের নিয়ে আসা। কিন্তু ডিসেম্বরের শেষ দিকে এমনিতেই পর্যটকে ভরপুর থাকে কক্সবাজার। এ সময়ে এ ধরনের আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি হাস্যকর আয়োজন ছাড়া কিছুই নয়।’
কক্সবাজারে কর্মরত প্রথম সারির টেলিভিশন, জাতীয় দৈনিক ও নিউজ পোর্টালে কর্মরত সাংবাদিক নুপা আলম, নেছার আহমদ ও শংকর বড়ুয়া জানান, বিচ কার্নিভালের কথা শোনা গেলেও বিষয়টি পরিষ্কার না। এমনকি কখন, কে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন বিষয়টি রাত পর্যন্ত জানানো হয়নি। এমন গোপনে কী আয়োজন হচ্ছে এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিষয়টি সম্পর্কে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরে কথা বলবেন বলে মুঠোফোন কেটে দেন। এরপর তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
তবে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজি আবদুর রহমান জানান, কার্নিভাল আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনের কোনও পরিষ্কার ধারণা নেই। অনুষ্ঠানের আয়োজন পর্যটন করোপরেশেনের। তারা কয়েকদিন আগে বিষয়টি অবহিত করেছেন। এরপর কার্নিভাল আয়োজনের নিরাপত্তাসহ নানা বিষয়ে প্রশাসন প্রস্তুতি নিয়েছে।
অপর এক প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, ২০১৫ সালের কার্নিভালের আলোকে বলতে হলে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমের লোকজনের সঙ্গে আলাপ করা জরুরি ছিল। করা হয়নি এটা একটি ব্যর্থতা। তবু পর্যটনের স্বার্থে জেলা প্রশাসন আন্তরিক।
পর্যটন করপোরেশনের মোটেল শৈবালের ম্যানেজার সৃজন বিকাশ বড়ুয়া জানান, কার্নিভাল আয়োজনের প্রস্তুতি শেষ। তবে কার্নিভালের কর্মসূচি সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে পারেননি।
/বিটি/