এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী কাজে লিপ্ত দেশ ও দেশের বাইরে যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদের প্রত্যেককে আমরা আইনের আওতায় আনতে চাই। এ ব্যাপারে দেশ প্রেমের চেতনা নিয়ে এই অঞ্চলের জনপ্রতিনিধি ও সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।’
র্যাব মহাপরিচালক বলেন, ‘র্যাবের হাতে আটক তিন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত। এদের কেউ কেউ স্থায়ীভাবে এই দেশে বসবাস করে আসছে। আবার কেউ কেউ অস্থায়ীভাবে মিয়ানমার থেকে দেশে আসা-যাওয়া করছে। আমরা তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি।’
আনসার ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় জড়িতদের ধরতে কেউ হাল ছাড়েনি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘টেকনাফের নয়াপাড়া আনসার ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরমধ্যে পাঁচজনকেই ধরেছে র্যাব। সর্বশেষ র্যাব সদস্যরা গত দুইদিন ধরে অভিযান চালিয়ে ওই ঘটনার মূল হোতা খাইরুল আমিন, মাস্টার আবুল কালাম আজাদ ও হাসান আহমদকে গ্রেফতার করেছে। তাদের স্বীকারোক্তি মতে, ১০ জানুয়ারি বান্দবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রুর গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচ থেকে ১০টি অস্ত্র, ১৮৯ রাউন্ড গুলি, ২৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এসব অস্ত্রগুলোর মধ্যে গত ১৩ মে টেকনাফ নয়াপাড়া শরণার্থী শিবিরে আনসার ক্যাম্প থেকে লুট হওয়া ৫টি অস্ত্র ও ১৮৯ রাউন্ড গুলি রয়েছে।’
প্রসঙ্গ, গত বছরের ১৩ মে ভোরের দিকে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নয়াপাড়া হ্নীলার মোচনী এলাকায় শরণার্থী শিবিরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় হামলাকারীদের গুলিতে নিহত হন কমান্ডার আলী হোসেন (৫৫)। লুট হয় আনসার সদস্যদের ১১টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬৯০ রাউন্ড গুলি।
আরও পড়ুন:
নাইক্ষ্যংছড়ির পাহাড়ে আরও দুইদিন অভিযান চলবে: র্যাব
/বিটি/