মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ছায়েদুল হক বলেন, ‘৩০ অক্টোবরের ঘটনা মধ্য দিয়ে শতবছরের সাম্প্রদায়িক সম্প্রতিকে বিনষ্ট করা হয়েছে। কিছু লোক ধর্মের নামে অধর্মের কাজ করে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করার জন্য এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে।’ তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রতি বজায় রাখার জন্য হিন্দু-মুসলিম সবার প্রতি আহ্বান জানান।
তারা বলেন, আমরা সব ধর্ম বর্ণের মানুষ মিলে মিশে এক সঙ্গে আগের মতো চলাফেরা করতে চাই।
মায়ারানী, জিতেন্দ্র বিশ্বাস, রমন চন্দ্র দাস বলেন, যারা নাসিরনগরে হামলা চালিয়েছিল তারা আজকের এই উৎসব এবং সম্প্রতি দেখে নিশ্চয় লজ্জিত হবে।
এদিকে, মহোৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিকালে স্থানীয় গৌর মন্দিরে আনুষ্ঠানিকভাবে পূজা অচর্ণার মধ্য দিয়ে মন্দিরে রাধাকৃষ্ণ গৌর নিতাই ও পঞ্চতত্ব প্রতিমা স্থাপন করা হয়। ছয়দিনব্যাপী মহোৎসবে গীতা পাঠ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং হরিনাম সংকির্ত্তণ অনুষ্ঠিত হবে। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলবে।
উল্লেখ্য, নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর গ্রামে ফেসবুকে ইসলাম অবমাননার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত বছরের ৩০ অক্টোবর উপজেলা সদরের ৫টি হিন্দুপাড়ার অন্তত ১০টি মন্দিরসহ হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক বাড়িঘরে হামলা এবং ভাঙচুর করা হয়। এ সময় গৌর মন্দির ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হামলার ঘটনার পর থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা ফিরে আসে।
/বিটি/