এর আগে সেনাবাহিনী প্রধান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনরেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান তাকে অভ্যর্থনা জানান। পরে প্যারেড কমান্ডার মেজর এরশাদ হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করেন।
এ সময় সেনাপ্রধান বলেন, এই এলাকায় ১০ পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সার্বিক সামাজিক উন্নয়নের যে আকাঙ্খা সুচিত হয়েছে, তার সফল বাস্তবায়নে ডিভিশনের প্রতিটি সদস্য এগিয়ে আসবে। ১০ পদাতিক ডিভিশনের আরও কিছু নবগঠিত ইউনিটের যাত্রার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়ন রূপকল্প ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর বাস্তবায়নের পথে আরেকটি মাইলফলক উন্মোচিত হলো।’
পরবর্তীতে সেনাবাহিনী প্রধান রামু সেনানিবাসের নির্মাণাধীন ‘শেকড়’ নামে দশ দিগন্ত যাদুঘরসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও অসামরিক উচ্চপদস্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার রামুতে দুই বছর আগে ১০ পদাতিক ডিভিশন গঠিত হয়। নতুন এ ৭টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে নবপ্রতিষ্ঠিত রামু সেনানিবাসকে পূর্ণাঙ্গ সেনানিবাস হিসেবে প্রতিষ্ঠায় আরেক ধাপ এগিয়ে গেল।
/বিটি/