সীমান্তহাটের হল রুমে ভারত-বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক প্রস্তুতি সভায় গত মঙ্গলবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুই দেশের প্রতিনিধিরা সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েও বিশদ আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য ফেনী সীমান্তে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অধিবাসীদের মাতৃভাষা বাংলা। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার কারণে সীমান্তপারের মানুষ অনেক বছর ধরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। সীমান্তহাট চালুর মাধ্যমে দুই পারের বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের সেতুবন্ধন জোরালো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাগলনাইয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজবাউল হায়দার চৌধুরী জানান, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ভারত-বাংলাদেশের ছাগলনাইয়া সীমান্তহাটে কয়েক হাজার বাঙালির মিলনমেলা ঘটবে বলে তারা আশাবাদী।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
রোহিঙ্গা পুনর্বাসন: ঠেঙ্গারচর কি প্রস্তুত?