নিহত আবুল হাসেমের ছোট ভাই মো.জহির জানান, পূর্ব মাইজচরা গ্রামের স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী মমিনের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তি সংক্রান্ত এবং রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে মমিন ও তার পরিবারের লোকজন জড়িত থাকতে পারে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান নাসের জানান, যেহেতু নিহতের স্বজনরা স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী মমিনকে ইঙ্গিত করছে, মামলায় দায়েরের পর তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দলীয় কোন্দল, রাজনৈতিকভাবে এলাকায় প্রভাব বিস্তার ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত অনুসন্ধানের পর প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার রাত ১২টার দিকে বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বুত্তের গুলিতে খুন হন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল হাসেম। তিনি ওই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
এ সংক্রান্ত আগের খবর:
নোয়াখালীতে আ. লীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা
/বিএল/