তিনি জানান, ওই আস্তানায় একজন জঙ্গি আছে। তার কাছে ছয়টি শক্তিশালী বিস্ফোরক থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, এরই মধ্যে ওই আস্তানায় ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’ শুরু করেছে সোয়াট টিমের সদস্যরা। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে এ অভিযান শুরু হয়। এরই মধ্যে জঙ্গি আস্তানা এলাকা থেকে গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। অভিযান শুরু পরপরই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সৈকত নামে এক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চত করে কুমিল্লা পুলিশ সুপার (এসপি) শাহ আবিদ হোসেন জানান, এ অভিযানে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম থেকে সোয়াট টিমের ২৪ সদস্য কুমিল্লা এসেছেন।
তিনি আরও জানান, এ অভিযানেও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের চারপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তার খাতিরে আশপাশের এলাকা থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ওই এলাকা ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এছাড়া বিশ্ব রোড থেকে কোটবাড়ী এলাকা পর্যন্ত সব ধরনের যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল থেকে ওই এলাকার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের টিমও অবস্থান করছে। ঘটনাস্থল থেকে দুই কিলোমিটার এলাকায় জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এক কিলোমিটার দূরে মিডিয়াকর্মীদের আটকে দেওয়া হয়েছে।
কোটবাড়ীর নির্মাণাধীন তিনতলা ওই বাড়িটি বুধবার বিকাল থেকে ঘিরে রাখা হয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে বৃহস্পতিবার সেখানে অভিযান চালানো হয়নি। আজ শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সেখানে অভিযান শুরু করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সোয়াট ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা।
/বিএল/
আরও পড়ুন:
কোটবাড়ীতে ‘অপারেশন স্ট্রাইক আউট’