সংঘর্ষে উত্তর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত কর্মী সভা পণ্ড হয়ে যায়। এ সময় মঞ্চে থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশারফ হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খন্দকারসহ সিনিয়র নেতারা তড়িঘড়ি করে সমাবেশস্থল ত্যাগ করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, বিবদমান দুটি পক্ষের একটি গ্রুপ বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীর অনুসারী। অন্য পক্ষ কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি গিয়াস কাদের চৌধুরীর পক্ষের।
দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা উত্তর জেলা ছাত্রদলের কোন্দলকে কেন্দ্র করে আজকের ঘটনাটি ঘটেছে বলেও দল সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দুই মাস আগেও নসিমন ভবনে এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে সমাবেশে অংশ নিতে বিএনপির ভাইস প্রেসিডেন্ট গিয়াস কাদের চৌধুরী মঞ্চে উঠলে তার অনুসারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরাও পাল্টা স্লোগান দিতে থাকেন। পাল্টাপাল্টি স্লোগানের এক পর্যায়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় এক পক্ষ অপর পক্ষকে লক্ষ্য করে চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি করে। পরে সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। সংঘর্ষে চার ছাত্রদল কর্মী আহত হয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়।
এ সর্ম্পকে কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ বলেন, ‘তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। পরে সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় মিটমাট হয়ে গেছে। এতে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’
/এফএস/
আরও পড়ুন-
নদীভিত্তিক পর্যটনে গতি আসবে অর্থনীতিতে