এর আগে বুধবার (৩ মে) রাতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সদর উপজেলার সাপছড়ি দেপ্পাছড়ি নামক এলাবায় বাস, ট্রাকসহ যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহণে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে।
রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদ উল্লাহ বলেন, অতীতে ওই এলাকায় সংগঠিত ঘটনাগুলো কে ঘটাতে পারে তাদের ওপর গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পুলিশ কাজ শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। পরিবহনে গনডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত এমন তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এছাড়াও লুন্ঠিত মালামাল ও টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারা জবানবন্দি দিয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।
রাঙামাটি কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ রশীদ জানান, নিউটন চাকমা আরেকটি ডাকাতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে পরিবহনে গণডাকাতির ঘটনার মূল আসামি।
তিনি আরও জানান, নিউটনের কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোনসহ ৭ হাজার ৫০০ টাকা টাকা পাওয়া যায় । মঙ্গলবার দুপুরের পর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে পুলিশ হেফাজতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৩ মে (বুধবার) রাতে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সদর উপজেলার সাপছড়ি দেপ্পাছড়ি নামক এলাকায় বাস, ট্রাকসহ যাত্রী ও পণ্যবাহী পরিবহণে গণডাকাতির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় রাঙামাটি ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযুক্ত আসামি রমেশ ত্রিপুরাকে শহরের গর্জনতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করার পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার (৬ মে) রাতে সদরের সাপছড়ি এলাকা থেকে কালাধন চাকমাকে গ্রেফতার করা হয়।
/এআর/