মঙ্গলবার নার্সিং ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহমুদা আকতার ক্লাসে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সহপাঠীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত তিনটায় মাহমুদা মৃত্যুবরণ করেন।
বুধবার সকালে মাহমুদার মরদেহ চট্টগ্রাম থেকে রাঙামাটি আনা হলে ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। তাদের অভিযোগ, ডাক্তারদের অবহেলার কারণে মাহমুদার মৃত্যু হয়েছে। মাহমুদার সহপাঠীরা তাদের প্রতি ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধায়কদের অবহেলা ও বৈষম্যমূলক আচরণেরও অভিযোগ করেছেন।
এদিকে, তত্ত্বাবধায়কদের বৈষম্যমূলক আচরণ পরিহার এবং শিক্ষার্থীদের মানসম্মত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সুবিধাদি প্রদানের দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত ক্লাস ও হাসপাতালের ডিউটি বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ইনস্টিটিউটের শিক্ষানবিশ নার্সরা।
তবে রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. মো. শহীদ তালুকদার অবহেলার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, মাহমুদাকে যথাযথ চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ডা. শহীদ তালুকদার আরও বলেন, ‘মাহমুদাকে হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই মেডিকেল কলেজের প্রফেসরদের জানাই, আর তারা সঙ্গে সঙ্গেই তাকে পর্যবেক্ষণ করে। তখন উনারা বুঝতে পারেন রোগীর অবস্থা খারাপ। সে স্ট্রোক করেছে। যেহেতু এখানে আইসিওর ব্যবস্থা নাই, তাই তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। আমার হাতে ডেথ সার্টিফিকেট আছে, যেখানে উল্লেখ আছে রোগী স্ট্রোক করে মারা গেছে।’
/এসএ/