সভায় জলাবদ্ধতা ও জোয়ারের প্লাবন থেকে এলাকাবাসিকে মুক্তি দিতে শিগগিরই মহেশখালের ওই এলাকায় পাম্প হাউসসহ স্লুইচ গেট নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী সপ্তাহে স্লুইচ গেট নির্মাণের দরপত্র গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বন্দরের সদস্য (প্রকৌশল) ক্যাপ্টেন জুলফিকার আজিজ।
দুই বছর আগে জোয়ারের প্লাবন থেকে আগ্রাবাদ-হালিশহর এলাকার বাসিন্দাদের রেহাই দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ অস্থায়ী ভিত্তিতে মহেশখালের উপর এই বাঁধ নির্মাণ করেছিল। কিন্তু সাস্প্রতিক বর্ষা মৌসুমের অতিবৃষ্টি, তার সঙ্গে জোয়ারের পানির চাপে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। উদ্ভুত এই পরিস্থিতিতে করণীয় ঠিক করতে এ সভার আয়োজন করে সিটি করপোরেশন।
সভা শেষে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সব সেবা সংস্থার প্রতিনিধির উপস্থিতিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে, মহেশখালের ওপর নির্মিত অস্থায়ী বাঁধটি দ্রুত অপসারণ করা হবে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের স্বাক্ষরিত পত্রটি মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতার হাত থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকাকে স্থায়ীভাবে রক্ষার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মহেশখালের মুখে পাম্পহাউস সহ স্লুইচ গেট নির্মাণ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্প বাস্তবায়নে লজিস্টিক সহযোগিতা দেবে।
সভায় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল হোসেন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) ক্যাপ্টেন জুলফিকার আজিজ, প্রধান প্রকৌশলী মাহমুদুল হোসেন খান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী একেএম সামছুল করিম, বন্দর কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুল হাসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, এর আগে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসী বাঁধটি অপসারণের দাবি জানিয়ে আসলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ তাতে কর্ণপাত করেনি। এ নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষের বিরোধ চলে আসছিল।
/এফএস/
আরও পড়ুন-
সংসদে ৪ লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট