লংগদুতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ২১২

লংগদুতে দুর্বৃত্তের আগুনে পুড়ে ধ্বংস হওয়া ঘরবাড়িরাঙামাটির লংগদু উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে ২১২টি পরিবারকে নির্ণয় করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার (৪ জুন) বিকালে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুয়াজ্জেম হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বরাদ্দ পাওয়া ৩০ মেট্রিক টন চালের মধ্যে আজ  ২০ মেট্রিক টন তারা বুঝে পেয়েছেন। এর মধ্যে  ১২ বস্তা চাল বিতরণ করা হয়েছে।

মুয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘আজ লংগদুতে তিনটিলা বৌদ্ধ বিহারে আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আগামীকাল সোমবার (৫ জুন) লংগদু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হবে।’

বরাদ্দকৃত ত্রাণএর আগে রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দের কথা জানানো হয়।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১ জুন) লংগদু উপজেলা থেকে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক ও স্থানীয় সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন দুই যাত্রী নিয়ে দীঘিনালার দিকে রওনা হন। দুপুরের পর দীঘিনালার চার মাইল এলাকায় তার মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। পরে সন্ধ্যায় ফেসবুকে তার মৃতদেহের ছবি দেখে শনাক্ত করে পরিবার ও বন্ধুরা। শুক্রবার সকালে নয়নের লাশ তার গ্রামের বাড়ি বাইট্টাপাড়া আনা হয়। সেখান থেকে লংগদুবাসীর ব্যানারে কয়েক হাজার বাঙালির একটি বিশাল শোকমিছিল উপজেলা সদরের দিকে যাচ্ছিল। পথেই একই উপজেলার ঝর্ণাটিলা এলাকায় মারফত আলী নামে এক বাঙালির বাড়িতে দুর্বৃত্তরা আগুন দিয়েছে এমন খবর পেয়ে ওই মিছিল থেকেই প্রধান সড়কের পাশের লংগদু উপজেলা জনসংহতি সমিতির কার্যালয়সহ আশেপাশের পাহাড়িদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়।আগুনে ২৫০ টিরও বেশি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

/এনআই/বিএল/

আরও পড়ুন:
‘ত্রাণ দিয়ে কী করবো, ঘর-চুলা কিছুই তো নেই’

'ফিরে এসে দেখি কিছুই নাই, সব পুড়ে ছাই'