রাঙামাটি শহরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে খাদ্য সংকটের অভিযোগ করেছেন সেখানে অবস্থানকারী ব্যক্তিরা। শহরের বিএডিসি ভবন ও টিভি স্টেশন ভবন আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েকজন দুপুরে কোনও খাবার না পাওয়ার অভিযোগ করছেন। তবে দ্রুত এ ধরনের সমস্যা সমাধান করা হবে বলে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে রাঙামাটিতে। এর বেশ কয়েকটিতেই অব্যবস্থাপনার অভিযোগ উঠেছে। টিভি স্টেশন কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া মামুন নামের একজন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল থেকে আমাদের কাছে কোনও খাবার পৌঁছায়নি। এমনকি পানি পর্যন্ত পাইনি। টিভিস্টেশন কেন্দ্রে একজন এসে কিছু খাবার স্যালাইন ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে গেছেন।’
বিএডিসি ভবন কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া আনোয়ার নামের একজন বলেন, ‘সকালে শুকনা খাবার চিড়া-মুড়ি দিয়ে গেছে। এগুলো পেয়েছি। তবে এখনও (বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত) দুপুরের খাবার পাইনি। এলাকাবাসীর উদ্যোগে আমাদের জন্য ইফতার ও রাতের খাবারের ব্যবস্থা হচ্ছে।’
পাসপোর্ট অফিস আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকারী বানু বেগম বলেন, সেখানে খাওয়া-দাওয়া, ওষুধ, গোসলের ব্যবস্থা, পানির সংকট রয়েছে।
৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রবি মোহন চাকমা বলেন, ‘প্রথম দুই দিন সব ত্রাণ ব্যক্তিগতভাবেই চলেছে। বুধবার সরকারি সাহায্য শুরু হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে আশা করছি কোনও সমস্যা থাকবে না।’
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেট খন্দকার মোহাম্মদ এখতিয়ার আরাফাত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সব ধরনের কমিটি করা হয়েছে। আজ থেকেই সম্মিলিতভাবে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমরা আশা করছি দ্রুত সবাই সব ধরনের সাহায্য পাবেন।’
উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ পাহাড় ধসে রাঙামাটিতে নিহতের সংখ্যা ১০৮ জনে পৌঁছেছে।
/এমএ/এফএস/
আরও পড়ুন-