এসব টার্মিনাল থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় বাস ছেড়ে যায়।
নিয়মিত সংস্কার না হওয়ায় বাস টার্মিনালগুলোয় অসংখ্য খানা-খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বর্ষার সময় পানি জমে এতে যানবাহনসহ যাত্রী সাধারণের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কুমিল্লা জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতি সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্টদের টার্মিনাল মেরামতের কথাও বলেছে। এরপরও তারা কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।
নগরীর বিশিষ্টজন আবদুল আউয়াল হেনা বলেন, ‘বাস টার্মিনালগুলোর বেহাল দশা দীর্ঘদিনের। সেখানে গেলে মনে হয়ে কোনও নদীর ঘাটে কিছু নৌকা এসে ভিড়েছে। টার্মিনালে পানি- কাদায় চলাচলে যাত্রীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।’
কুমিল্লা জেলা বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কাজী মোতাহার হোসেন বলেন, ‘বাস টার্মিনালগুলো জলাশয়ে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে জাঙ্গালিয়া বাস টার্মিনালের সংস্কার নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন থেকে দাবি জানিয়ে আসছি। টার্মিনালটি সংস্কার জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
কুমিল্লা জেলা বাস মালিক সমিতির সচিব মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘টার্মিনালগুলোর বেহাল অবস্থা নিয়ে আমরা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করেছি। আশা করছি দ্রুত এগুলোর সংস্কার হবে।’
এ ব্যাপারে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনুপম বড়–য়া বলেন, ‘জাঙ্গালিয়া, চকবাজার ও শাসনগাছা বাস টার্মিনালে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। রুটিন ওয়ার্কের আওতায় এগুলোর তাৎক্ষণিক কিছু সংস্কার কাজ করা হবে।’
/এসটি/