নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সীমান্তে বসবাসকারী অনেকে জানিয়েছেন, শুক্রবার গভীর রাতে ও ভোরে উখিয়ার রহমতের বিল,বালুখালী কাটা পাহাড়,ধামনখালী,আঞ্জুমানপাড়া এবং টেকনাফের উলুবনিয়া, লম্বাবিল, ঝিমনখালী, উনচিপ্রাং, নাইটং পাহাড় ও হ্নীলার বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ করেছে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মনজুরুল হাসান খান বলেন,‘সীমান্ত দিয়ে কোনও রোহিঙ্গাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। গতকাল (শুক্রবার) নাফ নদীর সীমান্তে জড়ো হওয়া সব রোহিঙ্গা স্বদেশে ফেরত গেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। বিজিবি’র সদস্যরা কড়া নজরদারিতে কাজ করছেন।’
টেকনাফ ২নং বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এস এম আরিফুল ইসলমান বলেন,‘গতকাল রাত থেকে ভোর পর্যন্ত টেকনাফের হোয়াইক্যং,উলুবনিয়া,লম্বাবিল পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের ১৭ জন নাগরিককে আটক করে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও কোনও রোহিঙ্গাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।’
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক আলী হোসেন বলেন, ‘সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় জনসচেতনামূলক আলোচনা করে যাচ্ছি। স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যানদের এসব বৈঠকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।’
তিনি বলেন, নতুন করে কোনও রোহিঙ্গা যাতে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সে ব্যাপারে জেলা প্রশাসন,পুলিশ প্রশাসন ও বিজিবিসহ অন্যান্য সংস্থা সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
প্রসঙ্গত, আনান কমিশনের প্রতিবেদন হন্তান্তরের পর ২৪ আগস্ট রাতে মিয়ানমারের মংডুর নাইকাদং ও কোয়াংছিদং গ্রামে রোহিঙ্গাদের ওপর গুলি বর্ষণ শুরু করে বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। এসময় ১২ পুলিশসহ ৭১ জন নিহত হয়েছেন। তাই রোহিঙ্গারা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশের দিকে ছুটে আসতে শুরু করে।
আরও পড়ুন
সীমান্তে মিয়ানমারের গুলি, প্রতিবাদ জানানোর পর দুঃখ প্রকাশ