সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব জুনাইদ বাবুনগরী। তিনি রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকারসহ আর্ন্তজাতিক মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও গণমিছিল, ১৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দূতাবাস ঘেরাও, ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ ও ওআইসি মহাসচিব বরাবর স্মারকলিপি প্রদানসহ পাঁচ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
জুনাইদ বাবুনগরী বলেন, 'মুসলিমপ্রধান দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আমাদের দাবি, সারা দেশের সর্বস্তরের নাগরিক, দেশি-বিদেশি মুসলিম এনজিও সংস্থাসহ সবার জন্য রোহিঙ্গাদের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো ও বিতরণের সুযোগ উন্মুক্ত রাখুন। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ তথা সর্বস্তরের মুসলমানদের পক্ষ নিয়ে অবিলম্বে মিয়ানমার সরকারের গণহত্যা ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।'
সরকারের উদ্দেশে হেফাজতের এই নেতা আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সেই দেশে ফেরত পাঠাতে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য কূটনীতিক তৎপরতা জোরদার করুন। মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি কর্তৃক বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমি মাইন স্থাপন ও বাংলাদেশের দিকে গুলি ছোড়ার যে স্পর্ধা দেখানো হয়েছে তার সমুচিত পাল্টা জবাব দিন।'
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির হাফেজ তাজুল ইসলাম, মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, লোকমান হাকিম, মঈনুদ্দিন রুহী, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি জুনাইদ আল হাবীব, প্রচার সম্পাদক আনাস মাদানী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি সরওয়ার কামাল আজিজীসহ হেফাজতে ইসলামের অনেক সিনিয়র নেতা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গারাই করছে নিজেদের তালিকা