পরমানু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কন্টেইনারটি পরীক্ষার জন্য গঠিত বিশেষজ্ঞদলের প্রধান অধ্যাপক দেবাশিষ পাল মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) ৯টি বস্তায় তেজস্ক্রিয়তা শনাক্তের কথা জানান।
তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা ওই কন্টেইনারে থাকা ৪১টি বস্তা পরীক্ষা করেছি। এরমধ্যে ৯টি বস্তায় তেজস্ক্রিয়যুক্ত পণ্যের উপস্থিতি পেয়েছি। ওই বস্তাগুলো আলাদা করে কন্টেইনারে রাখা হয়েছে যাতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি না হয়।’ অধিকতর পরীক্ষার জন্য ওই বস্তাগুলো থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠানো হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে গত ২২ আগস্ট বন্দরের আরডিএম মনিটরে স্ক্যানিংয়ের সময় রেডিয়েশন অ্যালার্ট সংকেত পাওয়ার পর তেজস্ক্রিয় পণ্য থাকা সন্দেহে কন্টেইনারটি জব্দ করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
গত ২৬ আগস্ট কন্টেইনারটি পরীক্ষার জন্য তারা বাংলাদেশ পরমানু শক্তি কমিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রে চিঠি পাঠায়। পরে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি দল বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হন কন্টেইনারটিতে তেজস্ক্রিয়যুক্ত পণ্য রয়েছে। পরে ওই ঘটনায় আরও অধিকতর তদন্তের জন্য পরমানু শক্তি কমিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশিষ পালকে প্রধান করে ৯ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দলকে বন্দরে পাঠায় পরমানু শক্তি কমিশন। ওই বিশেষজ্ঞ দল সোমবার কন্টেইনার থেকে তেজস্ক্রিয় পণ্য অপসারণের কাজ শুরু করে।