র্যাবের ডিজি আরও বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে বিতাড়িত হয়ে আসা রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের সহায়তায় কাজ করবে র্যাব। এজন্য র্যাবের জনবল বাড়ানোসহ টেকনাফে একটি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। যাতে করে সবার নিরাপত্তা বিধানে র্যাব আইনি ভূমিকা রাখতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের উদ্দেশ্য নির্যাতিত এসব রোহিঙ্গাদের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা। এজন্য কোনও রোহিঙ্গা যাতে এই নির্দিষ্ট জায়গার বাইরে ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’ এজন্য স্থানীয় জনগণ ও সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের সহায়তা কামনা করেন তিনি।
এরপর ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন র্যাবের মহাপরিচালক।
আরও পড়ুন:
আজ থেকে রোহিঙ্গাদের পরিচয় ‘বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক’: ত্রাণমন্ত্রী