মৎস্য অফিস জানিয়েছে, পূর্ণিমার সময় ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ আসে মিঠা পানিতে ডিম ছাড়তে। তাই এ সময়ে ডিমওয়ালা ইলিশ রক্ষায় প্রশাসন সর্বোচ্চ নজরদারি করছে। এমনকি জেলা প্রশাসক আব্দুস সবুর মণ্ডল নিজেও রাতভর নদীতে অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সফিকুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আটককৃত ২৭ জেলের মধ্যে ২২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই জনকে এক বছরের কারাদণ্ড, চার জনকে ছয় মাস, ১০ জনকে দুই মাস, ছয় জনকে এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া তিন জনের কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ কর্মকর্তা বলেন, চাঁদপুরের নদী অঞ্চল আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের এই অভিযান আগামী ২২ অক্টোবর মধ্যরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। যে কোনও মূলেই মা ইলিশ রক্ষা করতে হবে। আর এক্ষেত্রে তিনি পুরো চাঁদপুরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
আরও পড়ুন:
ইলিশ ধরায় ফরিদপুরে ৪১ জেলের কারাদণ্ড