অগ্নিদগ্ধরা হলেন সীতাকুণ্ডের জাহাঙ্গীর (২৭),সোলায়মান (২৮),আলাউদ্দিন (২৮), নোয়াখালী জেলার আনোয়ার হোসেন (৩০), দিনাজপুরের মিনহাজুল ইসলাম (২৮), শাহ আলম (৩২),মিজানুর রহমান (২৭) ও লালমনিরহাট জেলার শফিকুল ইসলাম (২৫)। এদের মধ্যে সোলায়মান, আনোয়ার, মিনহাজ, শাহ আলম ও মিজানুরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সকাল সাড়ে ৬টায় ১১ জনকে চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। তারা সবাই জিপিএইচ ইস্পাত কারখানার শ্রমিক। ওই কারখানার বয়লার বিস্ফোরণে তারা অগ্নিদগ্ধ হন।’
তিনি আরও জানান, বয়লার বিস্ফোরণে ওই কারখানার মোট ১১জন দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে পাঁচ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। অপর একজন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং গুরুতর দগ্ধ আরও পাঁচ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।