সোমবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী ও নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তের বিভিন্ন নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় উইলিয়াম ল্যাসি সুইং এসব কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় তিনি এসব ক্যাম্পে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।
আইওএম প্রধান বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এ জন্য জাতিসংঘের প্রতিবেদনে রাখাইনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং রোহিঙ্গাদের মানবিক দৃষ্টিতে দেখতে বলা হয়েছে। আইওএম এই সংকটকালে রোহিঙ্গাদের সহায়তা করেছে। আমরাও এই পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের জন্য সব ধরনের সহায়তা চাই।’
আইওএমের স্বাস্থ্যসেবার স্থান, ইউনিসেফের উদ্যোগে তৈরি শিশু বন্ধুত্বপূর্ণ স্থান, ইউএনএফপিএ’র পরামর্শ কেন্দ্র, ডাব্লিউএফপি’র খাদ্য বিতরণ এবং রোহিঙ্গাদের জন্য এসিএফ পুষ্টি কেন্দ্র পরিদর্শন করেন ল্যাসি সুইং। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে চলমান বিভিন্ন কার্যক্রমের খোঁজ-খবর নেন।
এর আগে, সকাল ১১টার দিকে বিমানে কক্সবাজারে পৌঁছান আইওএম মহাপরিচালক উইলিয়াম ল্যাসি সুইং।
আরও পড়ুন:
‘আশিয়ানভুক্ত দেশগুলো চাপ দিলেই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো সম্ভব’