ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে বিজিবি ও সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের নিবন্ধনের এই কাজ করছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশনের কাজ শেষে দেওয়া হচ্ছে ছবিযুক্ত কার্ড।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু নোমান মো. জাকির হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত চার লাখ রোহিঙ্গার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়েছে। শুরুর দিকে রেজিস্ট্রেশন কেন্দ্র ও যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা থাকলেও এখন এসব কাটিয়ে ওঠা গেছে। এর আগে রোহিঙ্গারা ত্রাণের জন্য ছোটাছুটি করলেও বায়োমেট্রিক নিবন্ধনে অনীহা ছিল। রেজিস্ট্রেশনে অনেক রোহিঙ্গা নিরুৎসাহিতও করেছিল। তবে বর্তমানে ত্রাণসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা পেতে নিবন্ধন কার্ডের গুরুত্ব বোঝানোর পর হুমড়ি খেয়ে পড়েছে রোহিঙ্গারা। ক্যাম্পে ক্যাম্পে মাঝিদের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের উদ্বুব্ধ করার পর এই গতি এসেছে।’
নতুনদের পাশাপাশি পুরনো রোহিঙ্গারাও এর আওতায় রয়েছে। ছবিযুক্ত এই কার্ডের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের সঠিক পরিসংখ্যান, সাময়িক আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে এই তথ্যভাণ্ডার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।