চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় ওই ট্রেনে দায়িত্বরত দুই পুলিশ সদস্যকে তদন্তের স্বার্থে ক্লোজড করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, আব্দুর আহাদ নামে ওই ব্যক্তি আরও চার পুলিশ কনস্টেবলসহ উদয়ন এক্সপ্রেসের বিভিন্ন বগিতে তল্লাশির নামে যাত্রীদের হয়রানি করতে থাকে। একপর্যায়ে সন্দেহ হলে তাকে আইডি কার্ড দেখাতে বলেন যাত্রীরা। এ সময় আহাদ আইডি কার্ড দেখাতে না পেরে উল্টো নিজেকে একবার সিনিয়র এসপি একবার ডিবি পুলিশ বলে দাবি করেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা অন্য দুই পুলিশ কনস্টেবল সিহাব উদ্দিন ও আব্দুল হালিম তাকে পাশের বগিতে নিয়ে যান এবং ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ট্রেনের যাত্রীরা ওই দুই পুলিশ এবং আহাদকে নিজেদের আয়ত্বে নেন। ট্রেনটি আখাউড়া স্টেশনে আসলে পুলিশ সদস্য সিহাব ও হালিম কৌশলে সিলেট রেলওয়ে থানার এসআই নফিল উদ্দিনের সহায়তায় নেমে যান। পরে ট্রেনটি চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে আব্দুল আহাদকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে যাত্রীরা।
রেলওয়ে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পর অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে তদন্তের স্বার্থে ক্লোজড করা হয়েছে। আহাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। সে একেক সময় একেক রকম পরিচয় দিচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: